1. adminaminalamin@gmail.com : জাগ্রত বরিশাল : বরিশাল মুখপত্র
  2. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শুক্রবার| ভোর ৫:৪৪|
শিরোনামঃ
বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ষড়যন্ত্র পিছু ছাড়ছে না বরিশাল বিআরটিসি বাস ডিপো ম্যানেজারের! দায়িত্বে কঠোরতা, অবৈধ সুবিধা না পেয়ে এসআই বশিরের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার! প্রলোভন উপেক্ষা করে আ’লীগ নেতা শিপনকে গ্রেপ্তার, গুরুত্বর অসুস্থতায় রাখা হয় বিশেষ নজরদারিতে- পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার! বাকেরগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বরিশালে ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার পোর্ট রোডে সড়কের মাঝেই স্থাপনা জিম্মি নয়, রোগীদের আস্থার চিকিৎসক ডা. অমিতাভ সরকার! জজ কোর্টের সামনে হামলা, এজাহারভুক্ত আসামি নাঈম গ্রেপ্তার তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় দাখিলে বাজিমাত/শতভাগ পাস, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন! ফার্নিচার ব্যবসায়ী রুবেলকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার

সোনালী ব্যাংক বরিশাল অঞ্চলে বদলি–বাণিজ্যের অভিযোগ: জিয়া পরিষদ কমিটি ঘিরে বিতর্ক!

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৩১ বার পড়েছেন

বরিশাল প্রতিনিধি // বরিশাল অঞ্চলে জিয়া পরিষদের একটি কমিটিকে ঘিরে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বদলি বাণিজ্য, চাঁদা আদায় ও অফিস কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

 

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, সংগঠনটির নামে গড়ে ওঠা একটি গ্রুপ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করে বদলি–সংক্রান্ত বিষয়ে তদবির করছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকিং মহলে আলোচনা ও সমালোচনা বাড়ছে।

 

সম্প্রতি জিয়া পরিষদের একটি কমিটির কাগজপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক প্ল্যাটফর্মে তা ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই ওই কমিটির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র বরিশাল অঞ্চলের (বরিশাল ও ঝালকাঠী জেলা) কিছু কর্মকর্তা–কর্মচারীকে কেন্দ্র করে গঠিত জিয়া পরিষদের একটি কমিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেন, বদলি বা পদায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে তদবিরের নামে একটি অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বদলি–সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু ব্যক্তি দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি কর্মীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে বদলি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

এ ছাড়া জিয়া পরিষদের ব্যানারে খেলাধুলার আয়োজনের নামে বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, এসব কার্যক্রমের কারণে অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং গ্রাহকসেবাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, কমিটির সম্পাদক পদের পরিচয়ধারী মোস্তাফিজুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ুম নিয়মিত অফিস করেন না। একই সঙ্গে বদলি–বাণিজ্য ও বিভিন্ন তদবিরকে নিয়মিত চর্চায় পরিণত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তাঁদের মতে, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং গ্রাহকসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।

 

আরও অভিযোগ রয়েছে, এসব অনিয়মের নেপথ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বরিশাল অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা ডিজিএম জাহাঙ্গীর আলম সরদার। ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, গত প্রায় ১৫ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি বরিশাল অঞ্চলে ‘মুকুটবিহীন রাজা’র মতো ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগের সুরাহা না হওয়ায় কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন।

 

তবে এ বিষয়ে ডিজিএম জাহাঙ্গীর আলম সরদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে জিয়া পরিষদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন সদস্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোনো অনিয়ম করলে তার দায় সংগঠনের নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও তাঁরা মত দেন।

 

সুশাসন ও ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনো বাহ্যিক প্রভাব বা অনৈতিক লেনদেন থাকলে তা পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থার জন্যই ক্ষতিকর। তাই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2026  Jagratabarishal.com